আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মোদির পদত্যাগের খবরে তোলপাড়।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পদত্যাগ করেছেন এমন খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘুরপাক খাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে ভারতের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি) জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পদত্যাগপত্রটি ভিত্তিহীন
এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এমন কোনো চিঠি জারি করেননি। পিআইবি
তবে প্রচারিত পদত্যাগপত্রটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও মনগড়া বলে আনুষ্ঠানিকভাবে স্পষ্ট করেছে ভারত সরকার।
ভুয়া চিঠির নেপথ্যে কী ছিল?
ভাইরাল হওয়া নথিটিতে ভারতের জাতীয় প্রতীক অশোক চক্র এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভুয়া স্বাক্ষর ব্যবহার করা হয়।
তাতে দাবি করা হয়েছিল, ‘ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা’ থেকে তিনি প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন।
তবে পিআইবির ডিজিটাল তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, চিঠির স্বাক্ষরটি জাল এবং সম্পূর্ণ নথিপত্রটি বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে।
ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা’ থেকে তিনি প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন।
তবে পিআইবির ডিজিটাল তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, চিঠির স্বাক্ষরটি জাল এবং সম্পূর্ণ নথিপত্রটি বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে।
সরকারি বার্তা
ভুয়া খবরের বিস্তার রোধে পিআইবি সাধারণ নাগরিকদের যেকোনো তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার
বা বিশ্বাস করার আগে অফিসিয়াল ও বিশ্বস্ত সূত্র থেকে সত্যতা যাচাই করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগের দিনও প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করে আরেকটি মনগড়া ভিডিও ক্লিপ নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছিল
যা পিআইবি ফ্যাক্টচেক করে ভুয়া প্রমাণ করে।
পর পর এমন কনটেন্ট প্রকাশ পাওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপতথ্য বা এআই-ভিত্তিক গুজবের ঝুঁকি আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
-প্রেসপয়েন্টবিডি/ম্বাস্থ্য













