‘এই তো সবে শুরু, এখনও অনেক পথ’: অভিজিৎ দীপকে

প্রেসপয়েন্ট বিডি

প্রকাশ :জুলাই ২৬, ২০২৬

‘এই তো সবে শুরু, এখনও অনেক পথ’: অভিজিৎ দীপকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ‘এই তো সবে শুরু, এখনও অনেক পথ’ বলেছেন অভিজিৎ দীপকে।

নিট (NEET)-এর প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে অনলাইন থেকে শুরু হওয়া আন্দোলনটি ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিক্ষোভে পরিণত হয়।

শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর-মন্তর স্থানে উল্লাস করতে দেখা যায় বিক্ষোভকারীদল ককরোচ জনতা পার্টি কে (সিজেপি)।

ভারতের ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) আন্দোলনের মুখ অভিজিৎ দীপকে বলেছেন যে,

দলটির সাম্প্রতিক সাফল্য কেবল শুরু এবং তাদের সামনে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে।

রবিবার সকালে তার এক্স (টুইটার) অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা একটি ভিডিও বার্তায় অভিজিৎ বলেন, কয়েক সপ্তাহের প্রতিবাদের পর বেশ স্বস্তি লাগছে।

তিনি আরো বলেন, পরবর্তী চ্যালেঞ্জ নিয়ে এখনি চিন্তা করছি না।

তিনি বলেন, “আন্দোলন চলাকালে এরপর কী করতে হবে বা সন্ধ্যা পর্যন্ত কী ঘটবে,

তা না ভেবেই আমি আমার শোবার ঘরে ঘুমাতে ও ঘুম থেকে উঠতে পারতাম।”

৩৭ দিনের প্রতিবাদ কর্মসূচির কথা স্মরণ করে দীপকে সেই সময়কালকে “সত্যিই, সত্যিই কঠিন” বলে বর্ণনা করেন, কিন্তু বলেন যে সরকার তাদের দাবি মেনে নেওয়ায়

এবং আন্দোলন বিক্ষোভ প্রত্যাহার করে নেওয়ায় “কোনো আতঙ্ক নেই”।

আন্দোলনের সাথে জড়িতদের তিনি বলেন “এটা তো কেবল শুরু। ককরোচ জনতা পার্টির এখনও অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে।”

পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস, বেকারত্ব এবং সরকারি জবাবদিহিতার মতো বিষয়গুলোকে লক্ষ্য

করে যুব-নেতৃত্বাধীন 'তেলাপোকা' আন্দোলনের অংশ হিসেবে হাজার হাজার তরুণ ভারতীয় নয়াদিল্লির রাস্তায় নেমেছিলেন।

বিক্ষোভের নেতৃত্বে থাকা ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-এর নেতা অভিজিৎ দীপকে, যার সোশ্যাল মিডিয়ায় লক্ষ লক্ষ অনুসারী অর্জন করেছে।

আন্দোলনের শুরু

অভিজিৎ দীপকে

শুরুতে তাদের দাবি মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নিট (NEET)-এর প্রশ্নপত্র ফাঁসের সাথে জড়িতোদেন শাস্তি এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা থাকলেও পরে তাদের দাবি নতুন মোড় নিয়েছিল।

এখন বিক্ষোভকারীরা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করছেন। কারণ হিসেবে তারা বলছেন, পরীক্ষার ধারাবাহিক অনিয়মের জন্য শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র দায়ী।

মেডিকেল পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের পর প্রায় ২০ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এফপি।

বিক্ষোভকারীরা পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সংকট এবং কিছু ছাত্রের মৃত্যুর জন্য প্রধানকে দায়ী করে

এবং তার পদত্যাগকে তাদের অন্যতম প্রধান দাবি হিসেবে ঘোষণা করে।

কয়েক সপ্তাহব্যাপী বিক্ষোভের পর প্রধান পদত্যাগ করেন, এবং সরকার আশ্বাস দেয় যে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। এরপর সিজেপি তাদের আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেয়।

আন্দোলনটি নিয়ে বলতে গিয়ে দীপকে সেইসব সমর্থকদের ধন্যবাদ জানান, যারা এর সাফল্য নিয়ে ব্যাপক সন্দেহ থাকা সত্ত্বেও এই প্রচারণার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন।

টাইফয়েড ও জ্বরে ভুগলেও, ঘোষণার পর জন্তর মন্তরে সমবেত হওয়া প্রত্যেককে ব্যক্তিগতভাবে ধন্যবাদ জানাতে না পারার জন্য তিনি ক্ষমাও চান।

“যারা ৩৭ দিন ধরে যন্তর মন্তরে অপেক্ষা করছিলেন, আমি আপনাদের প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানাতে চাই।

এই দেশের জন্য আপনারা যা করেছেন, তার জন্য আমি সত্যিই, সত্যিই, সত্যিই কৃতজ্ঞ,” তিনি বলেন।

দিপকে সমালোচকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, তাদের প্রশ্নগুলো তাকে আরও উন্নত হতে সাহায্য করেছে

এবং আন্দোলনকে ফলপ্রসূ করতে অবদান রেখেছে।

“আমার মনে হয়, সে কারণেই আমরাও ফলপ্রসূ হতে পেরেছি,” তিনি যোগ করেন।

তথ্যসূত্র: NDTV

-প্রেসপয়েন্টবিডি/ম্বাস্থ্য

আরো পড়ুন....সাই পল্লবীর বাড়ির অন্দরমহল: অন্দরসজ্জা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য