বাপ্পা মজুমদার: আইপিএলে ‘গ্রিন ডট বল’ অভিযানের আওতায় ভারতজুড়ে ৬ লক্ষেরও বেশি চারাগাছ রোপণ করা হয়েছে।
এই অভিযানকে ‘গ্রিন ডট বল ক্যাম্পেইন’ নাম দেয়া হয়েছে।
‘গ্রিন ডট বল ক্যাম্পেইন’ এর আওতায় যেখানে প্রতিটি ডট ডেলিভারির জন্য দেশজুড়ে ৫০০টি চারাগাছ লাগানো হয় এবং
এই আইপিএলের মরসুমে এখন পর্যন্ত এই উদ্যোগের মাধ্যমে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে প্রায় ছয় লক্ষেরও বেশি চারাগাছ রোপণ করা হয়েছে।
টুর্নামেন্টের মূল আলোচ্য বিষয় ছক্কায় ঝড় এবং একের পর এক বাউন্ডারি হলেও এই ডট বলের অভিযান ভারতকে সবুজ করে তুলতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
‘গ্রিন ডট বল ক্যাম্পেইনের’ পেছনে কারা?
‘গ্রিন ডট বল’ অভিযানটি হলো ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই) এবং টাটা গ্রুপের আইপিএল ও উইমেন্স প্রিমিয়ার লিগের (ডব্লিউপিএল) জন্য একটি টেকসই উদ্যোগ।
প্রতিটি ডট ডেলিভারির (যে বলে কোনো রান হয় না) জন্য ৫০০টি গাছের চারা রোপণ করা হয়। আর এ পর্যন্ত মোট ৬ লক্ষেরও বেশি গাছ লাগানো হয়েছে।

এই উদ্যোগটির মূল লক্ষ্য টুর্নামেন্টটিকে পরিবেশবান্ধব করে তোলা এবং এটি পূর্বে ২০২৩ সালের মরসুমে ব্যবহৃত হয়েছিল।
এটি ২০২৪ এবং ২০২৫ সালের প্লেঅফ পর্যন্তও অব্যাহত ছিল।
এই গাছের চারাগুলি আসাম, গুজরাট, কর্ণাটক, কেরালা, মহারাষ্ট্র এবং পশ্চিমবঙ্গ সহ ভারতের বিভিন্ন রাজ্য জুড়ে রোপণ করা হয়েছে।
বোলিংয়ের আধিপত্যের প্রতীক ডট বলকে একটি ইতিবাচক পরিবেশগত কর্মকাণ্ডে রূপান্তরিত করার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নকে উৎসাহিত করাই ছিলো
এই সবুজ অভিজানের লক্ষ্য। এর আগে, এই উদ্যোগটি প্লে-অফ পর্বের প্রতিটি ডট বলের জন্য ৫০০টি গাছ লাগানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।
আইপিএল ২০২৬-এ যখনই কোনো ডট বল হয়, টেলিভিশনের স্কোরকার্ডে ডট গ্রাফিকটি সম্প্রচারে দেখা সবুজ গাছের আইকন দিয়ে প্রতিস্থাপিত হয়।
প্লে-অফে এই উদ্যোগের সাফল্যের পর, এটি প্লে-অফ থেকে লীগ পর্বের ম্যাচগুলোতেও প্রসারিত করা হয়েছিল।
সাধারণ মানুষ কি ভাবছে:
আইপিএলের এই উদ্যোগকে ইতিবাচক চোখে দেখছে সাধারণ জনগণ।
সিদ্ধার্থ গৌরভ বর্মা যিনি একজন নিয়মিত আইপিএলের দর্শক। তিনি বলেন, মানুষের কংক্রিট জীবন প্রকৃতির উপর অনেক নির্যাতন করে। ভারতের দিনদিন গাছপালঅর পরিমান কমে আসছে। আইপিএলের প্রতি ডট বলে গাছের ব্যাপারটা সত্যি সুন্দর।
অন্যদিকে, ক্রিকেট প্রেমী একতা গোস্বামী মনে করছেন, আইপিএলের এমন উদ্ভোবনী চিন্তা যদি আসলে ফলপ্রসূ হয় তবে ভারত আবারো সবুজে ভরে উঠতে পারে।
সুতরাং, প্রতি ডট বলে গাছ লাগানোর প্রকল্প অবশ্যই প্রকৃতিকে নতুন ভাবে সবুজে সাজাতে পারে। বাংলাদেশসহ প্রতিবেশী দেশেগুলোর উচিত এমন চিন্তাকে সাধুবাদ জানানো এবং নিজেদের স্বার্থে দেশে এধরণের ক্যাম্পেইন গড়ে তোলা।













