‎সাংবাদিকদের উপর ছাত্রদলের ঘৃণিত হামলায় সমর্থন দিয়ে স্বাভাবিক করতে চায় প্রশাসন: রাকসু ভিপি

Jaya Sarkar

প্রকাশ :অক্টোবর ৫, ২০২৬

‎সাংবাদিকদের উপর ছাত্রদলের ঘৃণিত হামলায় সমর্থন দিয়ে স্বাভাবিক করতে চায় প্রশাসন: রাকসু ভিপি

সৈয়দ আতিক ফয়সাল, রাবি প্রতিনিধি: ‎‎‎‎রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সন্ত্রাসী কায়দায় দেশী-বিদেশী অস্ত্র নিয়ে সাংবাদিকদের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি আয়োজন করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)।

‎আজ সোমবার (৫ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোড সংলগ্ন সিনেট ভবনের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা। ‎‎মানববন্ধনে ছাত্রদলের এই কর্মকাণ্ডের জন্য প্রশাসনের নিকট বিচার ও শাস্তির দাবি করেন নেতৃবৃন্দ। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে স্বাভাবিক করতে চায় বলেও মন্তব্য করেছেন তারা। ‎‎

এ সময় রাকসুর ভিপি মুস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, “রাকসু শেষ হলে শিক্ষার্থীদের দেখে নেয়ার হুমকি দেয় ছাত্রদল। রাকসুর শেষ সময়ে তারা এই ঘটনা মাধ্যমেই ছাত্রলীগের মতো তারা সকল শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের নিজেদের শত্রু হিসাবে পরিগনিত করেছেন। যে প্রশাসন বলে, 'আমরা ব্যর্থ, পুলিশ পালিয়ে গেছে আমরা কি করবো?' সেই প্রশাসন ফুটেজ লুপাট করে প্রমাণ করেছে এই প্রশাসন মূলত ছাত্রদলের। এই ঘৃণিত আচরণকে সমর্থন দিয়ে প্রশাসন স্বাভাবিক করতে চাই।”‎

রাকসুর সহ তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সিফাত আবু সালেহ ছাত্রদলের এই ঘৃণিত হামলার বিষয়ে বলেন, “গতকাল যে ন্যাক্কারজনক হামলা হয়েছে আমার মনে ২৪ সালে ১৬ জুলাই  জিয়া হলের সামনে ছাত্রলীগ একইভাবে হামলা চালিয়েছিলো।

গতকাল হামলার পর যখন সাধারন শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে দাবী দেওয়া হয় প্রসাশন মামলা করতে হবে, আজকে মামলা হয়েছে কিন্তু স্পষ্ট ফুটেজ থাকার পরও কোন নাম না দিয়ে অজ্ঞাত নাম দিয়ে মামলা করা হয়েছে।আপনারা কাকে ভয় পান কিসে ভয় পান?”‎‎এ সময় মানববন্ধনে রাকসুর ভিপি, এজিএস, মিডিয়া সম্পাদক ও বিভিন্ন হল সংসদের নেতৃবৃন্দসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

‎‎এর আগে, গতকাল রাত ৮ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেট থেকে মিছিল নিয়ে জিয়াউর রহমান হল সংসদের জিএস আরিফুল ইসলামকে মারার উদ্দেশ্যে হল গেইটে আসেন ছাত্রদল নেতারা। ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের হল গেইটে অস্ত্র হাতে দেখতে পেয়ে সাংবাদিকরা এগিয়ে গেলে তাদের দেশীয় অস্ত্র দিয়ে নৃশংস হামলা চালায়। এ ঘটনায় সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়।‎‎