
অতিন বিশ্বাস: দেশের চলমান উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে বলে মন্তব্য করেছেন তারেক প্রধানমন্ত্রী রহমান।
আজ শনিবার (২৩ মে) বিকেলে ময়মনসিংহের ত্রিশালে ঐতিহাসিক ধারা খালের পুনঃখনন
ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, বিএনপির আইনজীবী ও চিকিৎসকরা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে সবসময় দাঁড়িয়েছিলেন।
বর্তমানে যারা বিক্ষোভ ও অবরোধে লিপ্ত, তখন তাদের মাঠে দেখা যায়নি।
তিনি আরো বলেন, যারা দেশে বিশৃঙ্খলা ছড়াচ্ছে, তারা কৃষক এবং গ্রামীণ শিশুদের শিক্ষা বা কৃষক কার্ড নিয়ে কথা বলে না।
তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য হলো নৈরাজ্য সৃষ্টি করা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন,প্রায় ৪৫ বছর আগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বয়ং এই খালের খননকাজে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
অনেকেই হয়তো সেই ঘটনাটি এখনও মনে করতে পারেন। ধারা খাল এই অঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকার সঙ্গে জড়িত।
দীর্ঘদিন ধরে খালটি অকার্যকর হয়ে পড়েছিল, যার ফলে কৃষকরা সেচ সংকট, জলাবদ্ধতা
এবং উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার মতো সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিলেন।
এই এলাকায় অন্তত ৪,৩০০ জন কৃষক আছেন যারা খাল পুনঃখনন ফলে উপকৃত হবেন
এবং প্রায় ২০,০০০ মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
খাল খননের ফলে কৃষকরা উপকৃত হবেন এবং গ্রামের মানুষও লাভবান হবেন ।
গ্রামীণ অর্থনীতি ও কৃষিকে পুনরুজ্জীবিত করতে বিএনপি সরকার এই উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড হাতে নিয়েছে।
তিনি বলেন, জনগণ তাদের মূল্যবান ভোটের মাধ্যমে বিএনপিকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দিয়েছে। আমাদের লক্ষ্য জনগণের কল্যাণে কাজ করা।
এসময় সামাজিক সুরক্ষা ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির কথাও বলেন তিনি।
নারীদের ক্ষমতায়নের কথা উল্লেখ করতে গিয়ে তিনি বলেন, পরিবারভিত্তিক ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালু করা হয়েছে
এবং এই কার্ডগুলো সরাসরি মায়েদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।
কৃষকদের জন্য ‘ফার্মার কার্ড’ কর্মসূচিও শুরু হয়েছে যা দ্রুতই প্রায় ২.৬৫ কোটি কৃষকের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার শুধু কৃষিখাতকেই নয়, শিক্ষাখাতকেও অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের জন্য নতুন স্কুল পোশাক ও স্কুল ব্যাগ প্রদানের একটি কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে
যা জুলাই মাস থেকে দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পর্যায়ক্রমে বিতরণ করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ধর্মীয় ব্যাপার মাথায় রেখে মসজিদের ইমাম ও খতিব, মাদ্রাসার শিক্ষক
এবং অন্যান্য ধর্মের ধর্মীয় নেতাদের জন্যও সম্মানীর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
যুবক কর্মসংস্থানের বিষয়ে তিনি বলেন, দেশে শিক্ষিত যুবক-যুবতী থাকা সত্ত্বেও অনেকেরই কর্মসংস্থানের অভাব রয়েছে।
সরকার কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা জোরদার করার উদ্যোগ নিয়েছে।












