
প্যারিস সেন্ট-জার্মেইয়ের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের পর ফ্রান্সজুড়ে সহিংস্থার সৃষ্টি হয়। শনিবার রাতে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে আর্সেনালকে টাইব্রেকারে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জিতেছে প্যারিস সেন্ট-জার্মেই (PSG)।
বুদাপেস্টের পুসকাস অ্যারেনায় অনুষ্ঠিত এই ফাইনাল ম্যাচের পর পিএসজি সমর্থকদের শিরোপা উদযাপন ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসসহ বিভিন্ন শহরে ব্যাপক সহিংসতায় রূপ নেয়।
প্রায় ২০,০০০ মানুষ জড়ো হয়েছিল ফাইনাল ম্যাচ দেখতে পার্ক দে প্রিন্সেস স্টেডিয়ামের আশেপাশে জড়ো হয়ে উদযাপন শুরু করেন।
একপর্যায়ে কিছু উগ্র সমর্থক পুলিশের ওপর আতশবাজি ও ফ্লেয়ার ছুড়লে সংঘর্ষ শুরু হয়।
দাঙ্গা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করে।
এই সংঘর্ষে অন্তত ৫৭ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
এছাড়া রিং রোড অবরোধের চেষ্টার সময় ঘটে যাওয়া এক সড়ক দুর্ঘটনায় ১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

ফ্রান্স পুলিশ জানিয়েছে , প্যারিস সেন্ট-জার্মেইয়ের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জয়ের পর হওয়া সহিংস সংঘর্ষে জড়িত ৭৮০ জনেরও বেশি লোককে তারা আটক করেছে।
ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনিয়েজ (Laurent Nuñez) জানিয়েছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সারা দেশে ব্যাপক অভিযান চালানো হয়েছে।
ফ্রান্সজুড়ে সব মিলিয়ে ৭৮০ জনকে আটক করা হয়েছে, যার মধ্যে শুধু প্যারিস এলাকা থেকেই ৪৮০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্যারিস প্রসিকিউটর অফিস জানিয়েছে, ইতোমধ্যে ২৭৭ জনকে (যার মধ্যে ৮২ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক) পুলিশের ওপর হামলা,
চুরি এবং জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার অপরাধে আনুষ্ঠানিকভাবে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
নিরাপত্তা জোরদার: পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ফরাসি কর্তৃপক্ষ দেশজুড়ে প্রায় ২২,০০০ পুলিশ সদস্য মোতায়েন করেছিল।
তবে সহিংসতা সত্ত্বেও পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী আইফেল টাওয়ারের কাছে চ্যাম্প দে মার্স-এ দলের মূল ট্রফি উদযাপন
এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর এলিসি প্রাসাদে পিএসজি দলকে দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠান যথাসময়েই অনুষ্ঠিত হচ্ছে।












