৭ দফা দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ

shohrab russel

প্রকাশ :সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬

৭ দফা দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ

অতিব বিশ্বাস: ৭ দফা দাবিতে আজ শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টায় রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বর থেকে শুরু হয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শাপলা চত্বরে উদ্বোধনী সমাবেশ শুরু হয়, যেখানে জোটভুক্ত বিভিন্ন দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা অংশ নেন।

উদ্বোধনী বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক।
সমাবেশ শেষে সকাল ৮টার দিকে লংমার্চ বহর চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হয়।

লংমার্চে নেতৃত্ব দিচ্ছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এবং এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামসহ জোটের শীর্ষস্থানীয় নেতারা।
কর্মসূচি অনুযায়ী, লংমার্চ বহরটি ঢাকা থেকে যাত্রা করে নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লার পদুয়া বাজার, ফেনীর মহিপাল ও চট্টগ্রামের মিরসরাইসহ পথের বিভিন্ন পয়েন্টে সংক্ষিপ্ত পথসভা ও সমাবেশ করবে।

রাতে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দানে পৌঁছে সেখানে সমাপনী সমাবেশের মধ্য দিয়ে এই কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও জুলাই গণহত্যার বিচারসহ একাধিক দাবিতে এই লংমার্চের ডাক দিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য।

জামায়াতের নেতারা জানিয়েছেন, এই কর্মসূচির মাধ্যমে তাঁরা রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংস্কারের দাবির পাশাপাশি নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতি, বিদ্যুৎ-গ্যাস-জ্বালানি সংকট এবং জনজীবনের অন্যান্য সমস্যাগুলোও সামনে তুলে ধরতে চান।

এদিকে লংমার্চ ঘিরে নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জোটের শরিক দলগুলো।

এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম শাপলা চত্বর থেকে লালদীঘি পর্যন্ত পুরো যাত্রাপথে সরকার ও প্রশাসনের কাছে পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের ওপর কোনো হামলা হলে তার দায় যেন কোনোভাবেই তাদের ওপর চাপানো না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

আরো পড়ুন...

লংমার্চ ও লালদিঘী সমাবেশ সফল করতে ১১ দলীয় সংবাদ সম্মেলন