জয়শ্রী সরকার: টানা ভারী বর্ষণে আবারো জলমগ্ন চট্টগ্রাম।
মুষলধারে বর্ষণের ফলে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল হাঁটু থেকে কোমরসমান পানিতে তলিয়ে গেছে।
আজ সোমবার সকাল ( ১৭ আগস্ট) থেকে গত ২৪ ঘন্টায় চট্টগ্রামে ১৮৯ মিলি মিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড
করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।
অধিদপ্তর আরো বলছে, ৭ ই আগস্ট দেশের অধিকাংশ এলাকায় বিক্ষিপ্ত ভাবে মাঝারি বৃষ্টি হতে হয়েছে। কয়েক দফায় ছোট ছোট বিরতি নিয়ে বেশিরভাগ বৃষ্টি হতে পারে।
হঠাৎ সৃষ্টি হওয়া এ জলাবদ্ধতায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন পথচারী, দিনমজুর ও কর্মজীবী মানুষ।
নগরীর চকবাজার, কাতালগঞ্জ, মুরাদপুর, বহদ্দারহাট, আগ্রাবাদ, হালিশহর, জিইসি মোড়, পশ্চিম বাকলিয়া ও কাপাসগোলা-সহ বেশ কিছু নিচু এলাকার প্রধান সড়ক ও অলিগলি পানিতে ডুবে গেছে।
বাসাবাড়ি ও দোকানে পানি: নিচু এলাকার অনেক বাসাবাড়ির নিচতলা এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ময়লা পানি ঢুকে পড়ে মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
পরিবহন সংকট: প্রধান সড়কগুলোতে পানি জমে যাওয়ায় গণপরিবহন চলাচল সীমিত হয়ে পড়েছে।
এতে সুযোগ বুঝে রিকশা ও সিএনজি অটোরিকশাচালকেরা দ্বিগুণ-তিনগুণ ভাড়া হাঁকাচ্ছেন বলে অভিযোগ যাত্রীদের।
আবহাওয়া পূর্বাভাস: মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় বৃষ্টিপাত আরও কিছু সময় অব্যাহত থাকতে পারে।
ফলে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের ঝুঁকির পাশাপাশি জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।
১৬-১৮ তারিখ দক্ষিনে ভারী বৃষ্টি হলেও প্রত্যাশিত বৃষ্টির তুলনায় কম বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় বৃষ্টি বলয় ঘোষণা করা হবে না।
বৃষ্টিযুক্ত কিছু কিছু স্থানে মাঝারি বজ্রপাত এর সম্ভাবনা আছে। বিশেষ করে উত্তর পূর্বাঞ্চলে ও পার্বত্য চট্টগ্রামে কিছুটা বেশি।
তাই কোথাও মেঘে গর্জন করলে বিশেষ সতর্ক থাকবেন।তবে উপকূলীয় এলাকা ও দেশের মধ্য অঞ্চলে বজ্রপাত কম থাকতে পারে।
উত্তর বঙ্গোপসাগর মোটামুটি উত্তাল থাকতে পারে। সতর্ক সংকেত ৩ দেখানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।
-প্রেসপয়েন্টবিডি/জাতীয়













