প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অষ্টম একনেক সভা শুরু

প্রেসপয়েন্ট বিডি

প্রকাশ :সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী সভাপতিত্বে অষ্টম একনেক সভা শুরু

অতিন বিশ্বাস: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) চলতি সরকারের অষ্টম সভা শুরু হয়েছে। বুধবার সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের এটি তৃতীয় একনেক সভা। বৈঠকে নতুন ও সংশোধিত মিলিয়ে মোট ১৬টি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রস্তাবিত মোট ব্যয়ের পরিমাণ ৬৫ হাজার ৫১৭ কোটি ২৬ লাখ টাকা।

একনেকের এই বৈঠককে বর্তমান সরকারের মেয়াদে এখন পর্যন্ত বড় আকারের প্রকল্প প্রস্তাব নিয়ে অনুষ্ঠিত সভা হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে। সভায় প্রকল্পগুলোর আর্থিক ব্যয়, বাস্তবায়নকাল, অর্থায়নের উৎস এবং সংশ্লিষ্ট খাতের প্রয়োজনীয়তা পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে যোগাযোগ ও পরিবহন অবকাঠামোর পাশাপাশি রেল, সড়ক, স্বাস্থ্য, পানি ও পয়ঃনিষ্কাশনসহ বিভিন্ন খাতের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম রয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের লাইন-৫-এর দক্ষিণ রুটও রয়েছে।

এ ছাড়া বগুড়া-সিরাজগঞ্জ নতুন ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণ এবং ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-জয়দেবপুর রেলপথে বৈদ্যুতিক ট্র্যাকশন চালুর মতো প্রকল্পও সভার আলোচ্যসূচিতে রয়েছে। বিভিন্ন অঞ্চলের জেলা মহাসড়ক উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্য খাতের কয়েকটি প্রকল্পও অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত ১৬ প্রকল্পের মধ্যে ১২টি নতুন এবং চারটি সংশোধিত প্রকল্প বলে জানা গেছে। সংশোধিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে বগুড়া-সিরাজগঞ্জ ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় ও বাস্তবায়নকাল পরিবর্তনের প্রস্তাব রয়েছে।

প্রস্তাবিত মোট ব্যয়ের একটি বড় অংশ বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে আসার কথা রয়েছে। পাশাপাশি সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার অর্থায়নও রাখা হয়েছে। প্রকল্প অনুমোদনের আগে এসব অর্থায়ন ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনাও পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

এর মধ্যে সবচেয়ে বড় ব্যয়ের প্রকল্প হিসেবে রয়েছে ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের লাইন-৫ দক্ষিণ রুট। প্রকল্পটির জন্য ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি ৭৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০৩৩ সালের আগস্ট পর্যন্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

এ ছাড়া রাজশাহী ও চট্টগ্রাম সড়ক জোনের বিভিন্ন জেলা মহাসড়ক উন্নয়ন, নদী ব্যবস্থাপনা ও ভাঙন রোধ, খুলনা অঞ্চলের পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং অন্যান্য অবকাঠামো উন্নয়নসংক্রান্ত প্রকল্পও একনেকের বিবেচনায় রয়েছে।

সভায় উপস্থাপিত প্রকল্পগুলোর বিষয়ে আলোচনা শেষে একনেকের সিদ্ধান্ত জানা যাবে। অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পগুলোর ক্ষেত্রে অর্থ বরাদ্দ, বাস্তবায়নকারী সংস্থা ও নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হবে।

আরো পড়ুন...

জাপান যাচ্ছেন সেনাবাহিনী প্রধান