আহমেদ সিয়াম:
শ্রমিকদের আন্দোলনে অনুপ্রবেশ করে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টার তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শ্রম ও কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি বলেছেন, সহিংসতা, ভাঙচুর ও নাশকতায় জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা হবে।
সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি। মাহদী আমিনের অভিযোগ, পোশাকশ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণের উদ্যোগের মধ্যেই একটি মহল শিল্প খাতকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।
পোস্টে তিনি বলেন, গঠনমূলক আলোচনা ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর অংশগ্রহণের মাধ্যমে শ্রমিকদের জন্য ন্যায়সংগত ও ভারসাম্যপূর্ণ ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করা সম্ভব। তবে মজুরি নির্ধারণের ইতিবাচক উদ্যোগের পরও একটি চিহ্নিত মহল পোশাকশিল্পে অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টায় রয়েছে।
মাহদী আমিনের ভাষ্য, শ্রমিকদের মজুরির দাবিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। কারখানায় হামলা, অগ্নিসংযোগ, পুলিশের গাড়ি ও বক্স ভাঙচুর কিংবা যানবাহন ও স্থাপনায় আক্রমণ শ্রমিকদের স্বার্থের পরিপন্থী।
তিনি শ্রমিকদের গুজব, বিভ্রান্তি ও উসকানিতে সাড়া না দেওয়ার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, কারখানা বন্ধ বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে শ্রমিকেরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এতে বেকারত্ব বাড়বে, রপ্তানি আয় কমবে এবং দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেন, শ্রমিক আন্দোলনকে ব্যবহার করে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের অস্থিতিশীলতা তৈরির পরিকল্পনা সফল হতে দেওয়া হবে না। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের অধিকার রক্ষায় সরকার কাজ করবে।














