ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি সম্পর্কে অজানা তথ্য

প্রেসপয়েন্ট বিডি

প্রকাশ :জুলাই ১৯, ২০২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি সম্পর্কে অজানা তথ্য

খেলাধুলা: ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি সম্পর্কে পাঁচটি অজানা তথ্য।

ফিফার বর্তমান বিশ্বকাপ ট্রফিটি ১৯৭৪ সালে তৈরি করা হয়েছিল।

যার ঠিক ৬.১৪২ কিলোগ্রাম। এর মোট ওজনের মধ্যে বিস্ময়করভাবে ৫.০৯২ কিলোগ্রামই নিরেট ১৮-ক্যারেট বিশুদ্ধ সোনা দিয়ে গঠিত।

এতে রয়েছে ভিত্তিমূলে সবুজ ম্যালাকাইটের দুটি স্তর, যা ফুটবল ট্রফির রঙের প্রতীক।

এই সবকিছু মিলে ট্রফিটিকে একটি রাজকীয় রূপ দিয়েছে।

যা এটিকে ক্রীড়া ইতিহাসের অন্যতম মূল্যবান পুরস্কারে পরিণত করেছে।

ট্রফি সম্পর্কে অজানা তথ্য:

ট্রফিটির বর্তমান নকশাটি সর্বপ্রথম পশ্চিম জার্মানিতে অনুষ্ঠিত ১৯৭৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপ টুর্নামেন্টে প্রবর্তন ও ব্যবহার করা হয়েছিল।

ইতালীয় ভাস্কর সিলভিও গাজানিগার তৈরি এই নকশাটি আনুষ্ঠানিকভাবে জুল রিমেট ট্রফিকে প্রতিস্থাপন করে। পরে যেটি ব্রাজিল তিনটি শিরোপা জেতার পর স্থায়ীভাবে নিজেদের কাছে রেখে দিয়োছল।

এবং ব্রাজিল একমাত্র দেশ যে এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপ ট্রফি নিজেদের কাছে রাখতে পেরেছে।

ফিফা জাদুঘরে সংরক্ষিত ট্রফি মূল ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফিটি সুইজারল্যান্ডের জুরিখ শহরে অবস্থিত স্মারক ফিফা জাদুঘরে স্থায়ীভাবে সুরক্ষিত রাখা হয়েছে।

ট্রফিটি বিশ্বকাপ বিজয়ীদের কাছে প্রদর্শন ও প্রদান করা হয় এবং আন্তর্জাতিক সফরেও নিয়ে যাওয়া হয়, তবে অবশেষে এটি এই উচ্চ-নিরাপত্তাসম্পন্ন জাদুঘরেই ফিরে আসে।

এর উদ্দেশ্য হলো ক্রীড়া ইতিহাসের নিরাপত্তা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করা এবং মূল ট্রফিটিকে ক্ষতি থেকে সুরক্ষিত রাখা।

বিজয়ী দল এবং ফিফার প্রেসিডেন্ট বাদে এই ট্রফিকে অন্যকেউ গ্লাভস ছাড়া ধরতে পারবে না

এই আইকনিক ট্রফিটির নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য আসল সোনার ট্রফিটি বিজয়ী দেশ কখনোই নিজেদের কাছে রাখে না

বরং ম্যাচ-পরবর্তী উদযাপনের পর টুর্নামেন্ট বিজয়ীদের কাছ থেকে এটি সংগ্রহ করে নেওয়া হয়।

এবং প্রতিটি ফিফা বিশ্বকাপ বিজয়ী তাদের নিজ দেশে স্থায়ীভাবে রাখার জন্য বিশেষভাবে তৈরি একটি সোনার প্রলেপযুক্ত ব্রোঞ্জের রেপ্লিকা পেয়ে থাকে।

ব্রাজিল থেকে কিংবদন্তি জুল রিমেট ট্রফিটি চুরি হয়ে যাওয়ার পর এবং তা আর কখনো উদ্ধার না হওয়ার পর এই ব্যবস্থাটি চালু করা হয়েছিল।

প্রতিটি টুর্নামেন্টের পর নতুন চাকতি তৈরি করা হয়। যেখানে সর্বশেষ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের নাম খোদাই করা থাকে।

এই অবিরাম খোদাই প্রক্রিয়া নিশ্চিত করে যে প্রতিটি বিজয়ীর নাম সরাসরি ট্রফির উপরেই স্থায়ীভাবে লিপিবদ্ধ হয়

এবং তারা এর দীর্ঘ ও গৌরবময় ইতিহাসে যুক্ত হন।

এই ট্রফিটি শুধু বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দই নয় বরং এর অর্থ হলো এই খেলার দীর্ঘ ও গৌরবময় ইতিহাসের অংশ হওয়া।

কয়েক দশক ধরে বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়রা এই শিরোপা জয়ের জন্য কিছু সেরা ইতিহাস তৈরি করেছেন

এবং ২০২৬ সালের আসরটিও ঠিক সেই উদ্দেশ্য নিয়েই আয়োজিত হচ্ছে।

-প্রেসপয়েন্টবিডি/খেলা