বুরকিনা ফাসো: ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন ঘোষণা

প্রেসপয়েন্ট বিডি

প্রকাশ :জুন ২৭, ২০২৬

বুরকিনা ফাসো: ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছে বুরকিনা ফাসো।

বুর্কিনা ফাসো আফ্রিকা মহাদেশের পশ্চিমভাগে অবস্থিত একটি রাষ্ট্র।

শুক্রবার (২৬ জুন) থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকরের ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সামরিক সরকার।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশের মধ্যে চরম রাজনৈতিক ও সামরিক অস্থিরতা দেখা দেয় ফলে সকল কুটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্নের সিদ্ধান্ত নেয় বুরকিনা সরকার।

১৯৬০ সালে স্বাধীনতা অর্জনের আগ পর্যন্ত এটি একটি ফরাসি উপনিবেশ ছিল। ১৯৮৫ সালে দেশটির নাম বদলে রাখা হয় বুর্কিনা ফাসো, যার অর্থ "নৈতিক জাতির দেশ" উইকি। 

দেশটির সামরিক অভ্যুত্থানে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সঙ্গে ফ্রান্সের রাজনৈতিক ও কুটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি ঘটে।

অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপসহ জাতীয় সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করছে বলে অভিযোগ করেছে বুরকিনা ফাসোর বর্তমান সরকার।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের এক বিবৃতিতে বুরকিনা ফাসোর সরকার জানায়, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পর্যালোচনার পরই কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দেশে স্বর্ণের দাম আবারো পরিবর্তন

সরকারের ভাষ্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা এবং একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার মৌলিক শর্তগুলো আর বজায় ছিল না।

এছাড়া বুরকিনা ফাসোর বর্তমান সরকার জানিয়েছে, সরকার জানিয়েছে, ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্তটি শুধুমাত্র দুই দেশের সরকারি ও কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে। বুর্কিনা ফাসো ও ফরাসি জনগণের মধ্যে দীর্ঘদিনের

ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও মানবিক সম্পর্কের ওপর কোনো প্রভাব পড়বে না।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আফ্রিকার কয়েকটি সাবেক ফরাসি উপনিবেশে ফ্রান্সবিরোধী মনোভাব বেড়েছে।

বুরকিনা ফাসো একমাত্র নয়, পশ্চিম আফ্রিকার একাধিক দেশ যেমন: মালি ও নাইজারের সাথেও ফরাসি বিরোধী মনোভাব তীব্র হচ্ছে।

-প্রেসপয়েন্টবিডি/আন্তর্জাতিক

আরো পড়ুন......

বয়সের ওপর কফির প্রভাব: বলছে কি গবেষণা