রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর ছাত্রদলের হামলা: ১১৮ সাবেক ক্যাম্পাস সাংবাদিকের নিন্দা ও প্রতিবাদ

Jaya Sarkar

প্রকাশ :অক্টোবর ৫, ২০২৬

রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর ছাত্রদলের হামলা, ১১৮ সাবেক ক্যাম্পাস সাংবাদিকের নিন্দা ও প্রতিবাদ

সৈয়দ আতিক ফয়সাল, রাবি প্রতিনিধি: ‎‎‎রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাংবাদিকদের ওপর ছাত্রদল নেতাকর্মীদের হামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সাংবাদিকরা।। একইসঙ্গে এ হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী শাস্তি এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংগঠন থেকে স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

‎‎রোববার (৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাবির শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার হন দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিনিধি ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি নূর আহসান মৃদুল, দৈনিক সমকালের মাঈনুল ইসলাম রাজু, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আরিফ উজ্জামান কোরবান এবং আগামীর সময়-এর জাহিদুল ইসলামসহ কয়েকজন সাংবাদিক।‎‎প্রত্যক্ষদর্শী ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী রামদা, চাপাতি, হকিস্টিক, পাইপ ও বেসবল ব্যাটসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সেখানে অবস্থান করছিলেন।

সাংবাদিকরা ঘটনার ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। ছবি এবং ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আহসান হাবীব, সহ-সভাপতি শরিফুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল ইসলাম ও সহ-দপ্তর সম্পাদক শাহরিয়ার আলমসহ অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী এই হামলায় অংশ নেয়।‎‎

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাবেক ক্যাম্পাস সাংবাদিকরা এই ঘটনাকে শুধু কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা হিসেবে দেখছি না। পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের ওপর অস্ত্র নিয়ে হামলা সংবাদ সংগ্রহের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার এবং বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশের ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপ। এ ঘটনার দায় শুধু হামলায় সরাসরি অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলও এর সাংগঠনিক দায় এড়াতে পারে না।‎‎

এদিকে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল ইতোমধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের অভ্যন্তরীণ তদন্ত ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগের স্বাধীন ও আইনগত তদন্তের বিকল্প হতে পারে না। হামলায় যাদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইনে মামলা ও বিচার নিশ্চিত করতে হবে। বিগত সময়ে বিভিন্ন ঘটনায় সাংগঠনিক শাস্তি দেওয়ার পর তা প্রত্যাহার করে নেতাকর্মীদের পুনর্বহালের নজির রয়েছে। তাই এ ঘটনায় লোক দেখানো সাময়িক শাস্তি আমরা গ্রহণযোগ্য মনে করি না।‎‎এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকাও প্রশ্নের ঊর্ধ্বে নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতেই সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।

অস্ত্রধারীদের নিরস্ত করা, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর নিজেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার কথা স্বীকার করেছেন।‎‎আমাদের সুস্পষ্ট দাবি হচ্ছে, রাবিতে হামলার ঘটনার স্বাধীন, নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে; জড়িতদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নিতে হবে; বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে এবং ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে অভিযুক্ত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।‎‎‎

রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, প্রমাণ সত্ত্বেও শিবিরকে দায় ছাত্রদলের
ছবি: সংগৃহীত

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন, মেহেরুল হাসান সুজন, সাবেক সভাপতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি; আরাফাত রহমান, সাবেক সভাপতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি; রবিউল আলম, সাবেক সভাপতি, জবিসাস; সাগর হোসেন, সাবেক সহ-সভাপতি, জবিসাস; হারুনুর রশিদ, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জবিসাস; রায়হান আহমেদ, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জবিসাস; নাকিবুল হাসান, সাবেক দপ্তর সম্পাদক, জবিসাস; একরামুল হক, জবি; শরিফুল ইসলাম শ্রাবণ, ঢাবি; আবু হানিফ, সাবেক সভাপতি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি; ওয়াজহাতুল ওয়ান্চি, সাবেক সভাপতি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব; সাদ্দাম হোসেন, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক,

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি; নূরুজ্জামান খান, সাবেক সভাপতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি; মেহেদী হাসান, সাবেক সভাপতি, রাজশাহী কলেজ রিপোর্টার্স ইউনিটি; রিফাত মেহেদী, সাবেক সভাপতি, গণবিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি; মাহবুব এ রহমান, সাবেক সভাপতি, চবিসাস; মুহাম্মাদ আজহার, সাবেক সভাপতি, চবিসাস; ইমরান হাফিজ, সাবেক সহ-সভাপতি, চবিসাস;

ইমাম ইমু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, চবিসাস; রোকনুজ্জামান রোকন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, চবিসাস; জাহেদ আলম, সাবেক সভাপতি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি; আহমেদ জুনাইদ, সাবেক সহ-সভাপতি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি; শাহ রিয়াজ, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি; মাহফুজ শুভ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি;

সুমন বাহজিদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি; মাহমুদুল হাসান তানভীর, সাবেক সভাপতি, জবিসাস; মামুন শেখ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, জবিসাস; মিনহাজুল ইসলাম, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, জবিসাস; জয়নুল হক, সাবেক দপ্তর সম্পাদক, জবিসাস; হুমায়ুন কবির, সাবেক সভাপতি, জবিসাস; সাদ্দাত হোসাইন, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জবিসাস; আশরাফুল ইসলাম আকাশ, সাবেক সভাপতি, জবিসাস; মাসুদ রানা, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, জবিসাস; নাইমুর রহমান নাবিল, সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য, জবিসাস;

সোহাইল মিয়া, সাবেক সভাপতি, জবিসাস; সোহাগ রশিদ, সাবেক আহ্বায়ক, জবিসাস; মাহবুব মমতাজি, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, জবিসাস; লিফুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, জবিসাস; সোলাইমান সালমান, সাবেক সভাপতি, জবিসাস; যুবাইর আহমেদ সামি, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জাবিসাস; সাইফুল মাসুম, সাবেক সভাপতি, স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক ফোরাম; হাসান আল মাহমুদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, জাবিসাস; মুহাম্মাদ শফিউল্লাহ, সাবেক সভাপতি, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি;

কেফায়েত শাকিল, সাবেক সহ-সভাপতি, ঢাকা কলেজ সাংবাদিক সমিতি; সোহেল আহমেদ, সাবেক সভাপতি, এমসি কলেজ রিপোর্টার্স ইউনিটি; আব্দুল হাকিম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা কলেজ সাংবাদিক সমিতি; এহসানুল মাহবুব জোবায়ের, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, জবিসাস; মাহমুদুল হাসান, সাবেক সভাপতি, ঢাকা কলেজ সাংবাদিক সমিতি; আব্দুল্লাহ মো. আব্বাস, সাবেক চবি প্রতিনিধি, দ্য ডেইলি স্টার; জাহিদুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি; আরিফুল রহমান উজ্জ্বল, সাবেক সভাপতি, জাবিসাস; মেহেদী হাসান, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, রাবিসাস; জাকের আহমেদ শিমুল, সাবেক সভাপতি, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সাংবাদিক সমিতি;

শ্যামস জোবিন, সাবেক সম্পাদক, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি; মাহমুদুন হাসান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সাংবাদিক সমিতি; সালমান শাকিল, সাবেক সভাপতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব; জোবায়ের চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, চবিসাস; আব্দুল মান্নান, সাবেক সভাপতি, হাবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতি; ডালিম হোসেন শান্ত, সাবেক সভাপতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব; মুনওয়ার রিয়াজ মুর, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, চবিসাস; শাহাদাত হোসেন বিপ্লব, সাবেক সভাপতি, কুবিসাস; গোলাম মুকুজ্জা সেলিম, সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য, সিকুবিসাস;

আনিক আহমেদ, সাবেক সভাপতি, গণবিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি; নাজমুস সাকিব সাদি, সাবেক সভাপতি, নোবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতি; মোস্তাফিজ বিদ্যুৎ, সাবেক সভাপতি, রাজশাহী কলেজ রিপোর্টার্স ইউনিটি; আবু সাঈদ রনি, সাবেক সভাপতি, রাজশাহী কলেজ রিপোর্টার্স ইউনিটি; মেহেদী হাসান, সাবেক সভাপতি, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি; আব্দুল্লাহ আল জোবায়ের, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি; সরকার মাসুম, সাবেক সভাপতি, ইবি প্রেসক্লাব; তরিকুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, হাবি প্রেসক্লাব; ইমন মাহমুদ, সাবেক সভাপতি, জাবি প্রেসক্লাব; মিরাজুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি, হাবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতি; বাবর মাহমুদ, সাবেক সভাপতি, রাজশাহী কলেজ রিপোর্টার্স ইউনিটি;

আব্দুন্নাহ রকিব, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, চবিসাস; তানভীর ইবনে মোবারক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, জাবি প্রেসক্লাব; সাইফুল্লাহ সাইফ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, রাবিসাস; সুজন আলী, সাবেক সভাপতি, রাবিসাস; ইকরাল হোসাইন রনি, সাবেক সভাপতি, ইবি প্রেসক্লাব; মতিউর রহমান, সাবেক সভাপতি, কুবিসাস; বাসেল মাহমুদ, সাবেক সভাপতি, কুবিসাস; আবু বকর রায়হান, সাবেক সহ-সভাপতি, কুবিসাস; জয়নাল উদ্দীন, সাবেক অর্থ সম্পাদক, কুবিসাস;

আকরাম হোসেন, সাবেক সভাপতি, স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক ফোরাম; রক্তিম ওয়াহাব, সাবেক সভাপতি, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি; সীম ওবাইদুল্লাহ, সাবেক সভাপতি, রাজশাহী কলেজ রিপোর্টার্স ইউনিটি; আশিক ইসলাম, সাবেক সহ-সভাপতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি;

ইয়াকুব খান, সাবেক সভাপতি, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি; শাহাদাত হোসেন, সাবেক সভাপতি, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি; তানশীর হোসাইন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, হাবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতি; আব্দুল হাকিম, সাবেক সভাপতি, রাজশাহী কলেজ রিপোর্টার্স ইউনিটি; ওবায়দুর রহমান, সাবেক সভাপতি, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি; মোসান্দেকুর রহমান, সাবেক সভাপতি, শাবি প্রেসক্লাব; মিজান উদ্দিন ভূঁইয়া, সাবেক সহ-সভাপতি, কুবিসাস;

সোহাগ ফেরদৌস, সাবেক সভাপতি, হাবি প্রেসক্লাব; আব্দুল করীর ফারহান, সাবেক সভাপতি, নোবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতি; আবুল বাশার গিরিজ, সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি; নবাব আব্দুর রহিম, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, চবিসাস; শিহাবুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি; ইয়াজিম পলাশ, সাবেক সহ-সভাপতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি;

আলী রমজান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি; আলী হুসাইন মিঠু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি; লাবু হক, সাবেক সভাপতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি; মারুফ হাসান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি; শহিদুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি; আহমেদ ইউসুফ আকাশ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, কুবিসাস; জুবায়ের রহমান, সাবেক সভাপতি, কুবিসাস;

আব্দুল্লাহ আল ফয়সল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, চবিসাস; মুমিন মাসুদ, সাবেক সহ-সভাপতি, চবিসাস; ফরিদ আহমেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি; রায়হান উদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, চবিসাস; মো. বাহজিদ হোসাইন, সাবেক সভাপতি, চবিসাস; মো. আসাদুজ্জামান, সাবেক সভাপতি, জাবিসাস; ওয়াসিফ রিয়াজ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি; শাহীনুর ইসলাম, সাবেক সভাপতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি; রাহানুল ইসলাম সৈকত, সাবেক সহ-সভাপতি, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি; নাজমুল হুদা, সাবেক সভাপতি, শাবিপ্রবি প্রেসক্লাব; রাব্বী হাসান সবুজ, সাবেক সহ-সভাপতি, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি; রবিউল হক রব, সাবেক সভাপতি, কুবিসাস।

‎‎এ বিষয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সাবেক সভাপতি মো. নুরুজ্জামান বলেন, ‘পেশাগত দায়িত্ব পালনকারী সাংবাদিকদের ওপর হামলা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এটির মাধ্যমে ছাত্রদলের কতিপয় কিছু নেতাকর্মী তাদের ধৃষ্টতা দেখিয়েছে। তারা যেটি করেছে এটি সন্ত্রাসী কার্যক্রম। ছাত্র সংগঠনের নাম ব্যবহার করে কেউ সন্ত্রাসী কার্যক্রম করলে এর দায় শীর্ষ নেতৃত্ব এড়াতে পারে না। এটিকে বিচ্ছিন্ন কিংবা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বলে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। জড়িতরা সাংবাদিকদের ওপর হামলার মাধ্যমে ফৌজদারি অপরাধ করেছে। তাদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। এইকসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনানুযায়ী শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে তাদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ছাত্রদলকে জড়িতদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া এবং ভবিষ্যতে যেন এমন ঘটনা না ঘটে সেই নিশ্চিয়তা প্রদান করতে হবে।

গতকালের এমন ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টোরিয়াল বডি ও জিয়াউর রহমান হল প্রশাসন চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছে। ঘটনার অনেক আগে থেকেই ক্যাম্পাসে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টির পরও তারা কেন, এবিষয়ে পদক্ষেপ নিলেন না সেজন্য তাদেরকে জবাবদিহির আওতায় আনার উদ্যোগ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে নিতে হবে।’‎‎

আরো পড়ুন....

সাংবাদিকদের ওপর হামলা: গ্রেপ্তারে বিকেল ৪টা পর্যন্ত আল্টিমেটাম