বড়াইগ্রামে প্রাণ গেল ১৪ জনের, শনাক্ত ৯ জন

Ahmed Siam

প্রকাশ :অক্টোবর ২০, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নাটোরের বড়াইগ্রামে বাস ও ট্রাকের ভয়াবহ সংঘর্ষে প্রাণ হারানো ১৪ জনের মধ্যে নয়জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে এক শিশুও রয়েছে। দুর্ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখতে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি করেছে জেলা প্রশাসন।

সোমবার ভোরে নাটোর-পাবনা মহাসড়কের সরকারপাড়া এলাকায় পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনে আরপি পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে বালুবোঝাই ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই নয়জনের মৃত্যু হয়।

গুরুতর আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও পাঁচজন মারা যান। এ ঘটনায় অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন।

পরিচয় শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন আনোয়ার হক (৩০), তাছফিয়া খাতুন (৮) ও সোহাগ হোসেন (৩০)। আনোয়ারের বাড়ি রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার কনোপাড়া গ্রামে। তিনি বাবর আলীর ছেলে। তাছফিয়া পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুবিদখালী গ্রামের মৃত শহিদুল ইসলামের মেয়ে। সোহাগের বাড়ি শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার কাজীরহাট গ্রামে। তিনি ইউনুস আলীর ছেলে।

নিহত অন্য ব্যক্তিরা হলেন জাজিরার বড়কান্দি গ্রামের জহুর উদ্দিনের ছেলে জুয়েল রানা (৪০), ডুবিসাহেবের গ্রামের জাহান উদ্দিন মোল্লার ছেলে শালাল মোল্লা (৪৫) এবং কাজীরহাট গ্রামের শাহিন হোসেন (২৫)। এ ছাড়া একই উপজেলার সামাদ (৭০), কাশেম (৩৫) ও জহুর উদ্দিনের পরিচয় পাওয়া গেছে। নিহত বাসচালক সোহেল রানার (৪০) বাড়ি রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ফরহাদপুর গ্রামে। তিনি আব্দুল হাকিমের ছেলে।

বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক শামীম হোসেনের ভাষ্য অনুযায়ী, বাসটি বরগুনা থেকে যাত্রী নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল। অপরদিকে, বালুবোঝাই ট্রাকটি পঞ্চগড় থেকে ঝিনাইদহের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। ভোরে সরকারপাড়া এলাকায় যানবাহন দুটির মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে।

পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, ট্রাকটি মহাসড়কের বাম পাশের লেন দিয়ে চলছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দ্রুতগতিতে আসা বাসটি অন্য একটি যানবাহনকে অতিক্রম করতে গিয়ে ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা খায়। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

Google News-এ Press Point BD-এর খবর দেখুন আমাদের সর্বশেষ সংবাদ ও প্রতিবেদন Google News-এ পড়ুন।