বিনোদন ডেস্ক: বডি শেমিং নিয়ে মুখ খুললেন সুস্মিতা সেন ।
পাতলা হওয়া এবং ফিট থাকা দুটি ভিন্ন জিনিস: সুস্মিতা সেন।
সোমবার (৩ আগস্ট) ভারতের আন্তর্জাতিক ঐক্য আন্দোলন কর্তৃক আয়োজিত একটি অনুষ্ঠান ((IIMUN) ভারতীয় অভিনেত্রী সুস্মিতা সেন শরীর নিয়ে কটাক্ষের জবাবে এসব কথা বলেন। Sushmita_Sen
তিনি আরো বলেন, গ্ল্যামার ইন্ডাস্ট্রিতে যেখানে রোগা চেহারাকেই বহুদিন ধরে "পারফেক্ট" বলে ধরে নেওয়া হয় যা সঠিক নয়।
সেই ধারণাকেই বারবার প্রশ্নের মুখে ফেলেছেন প্রাক্তন মিস ইউনিভার্স ও অভিনেত্রী সুস্মিতা সেন।
এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রোগা থাকা আর সুস্থ-সবল থাকা এক নয় ,নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা থেকেই কথাগুলো বলেছি।
এই দুটো একেবারেই আলাদা বিষয়, অথচ আমাদের চারপাশে প্রায়ই এই দুটোকে গুলিয়ে ফেলা হয়।
২০০৮ সালে ওয়াসিম আকরামের সঙ্গে একটি টিভি শো করার সময় তাঁর ওজন হঠাৎ বেড়ে গিয়েছিল।
আর সেটা নিয়ে রীতিমতো জাতীয় স্তরে হইচই শুরু হয়ে যায়।
নিউজ চ্যানেলের স্ক্রিনে তাঁর ওজন নিয়ে নানান কথা চলত।
এমন একটা সময়ের কথা মনে করে তিনি বলেন, সেই পর্বটা তাঁর জন্য মোটেও সহজ ছিল না।
শরীর নিয়ে এভাবে জনসমক্ষে বিচার হওয়াটাকে তিনি "কুল" কিছু মনে করেন না, বরং এটাকে তিনি একেবারেই অপছন্দ করেন বলে জানিয়েছেন প্রাক্তন মিস ইউনিভার্স।
জীবনে ওঠাপড়া থাকবেই, কেউই সবসময় নিখুঁত থাকতে পারে না।
কারও কারও ক্ষেত্রে জিনগত কারণ বা স্বাস্থ্যগত সমস্যার জন্যও ওজনে পরিবর্তন আসতে পারে, আর সেই বাস্তবতাকে বুঝে তবেই কাউকে বিচার করা উচিত বলে মনে করেন তিনি।
ইন্ডাস্ট্রির বদলে যাওয়া মানসিকতা
এসময় ইন্ডাস্ট্রির বদলে যাওয়া মানসিকতা নিয়েও ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন সুস্মিতা।
বর্তমান প্রজন্মের অভিনেতা-অভিনেত্রীরা এখন আর শুধু রোগা দেখানোর দিকে ছুটছেন না,
বরং প্রকৃত ফিটনেসকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন আর এই বদলটা আমাকে সত্যিই আনন্দ দেয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নিজে দীর্ঘদিন ধরে এরিয়াল সিল্ক যোগার মতো অনুশীলনের মধ্য দিয়ে ফিটনেস ধরে রেখেছেন সুস্মিতা।
২০০৬ সালে শুটিংয়ের সময় মেরুদণ্ডে চোট পাওয়ার পর দীর্ঘ পুনর্বাসনের মধ্য দিয়ে গিয়েছিলেন তিনি।
আর সেখান থেকেই ধীরে ধীরে ফিরে পান নিজের শারীরিক শক্তি ও ছন্দ।
সেই যাত্রা তাঁকে শিখিয়েছে, শরীরের আকার নয় শরীরের ক্ষমতা আর সুস্থতাই আসল কথা।
-প্রেসপয়েন্টবিডি/বিনোদন













