চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড যাচ্ছেন বিদ্যুৎমন্ত্রী

প্রেসপয়েন্ট বিডি

প্রকাশ :সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬

চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড যাচ্ছেন বিদ্যুৎমন্ত্রী

নাবিলা কবির: চিকিৎসার উদ্দেশ্যে আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর থাইল্যান্ড সফরে যাচ্ছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজের শারীরিক চিকিৎসার জন্য তিনি এই সফরে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে ১০ সেপ্টেম্বর দেশের একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মন্ত্রীর থাইল্যান্ড সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য চিকিৎসা নেওয়া। পাশাপাশি সফরটি সরকারি কাজের সঙ্গেও সম্পর্কিত। তবে তাঁর কী ধরনের শারীরিক সমস্যা রয়েছে বা কোন হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

১৩ সেপ্টেম্বর থাইল্যান্ডের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে মন্ত্রীর। সফরের নির্দিষ্ট সময়কাল এবং সেখানে তাঁর সরকারি কর্মসূচির বিস্তারিতও এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসেনি। ফলে চিকিৎসা শেষে তিনি কবে দেশে ফিরবেন, সে বিষয়েও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন, জ্বালানি সরবরাহ এবং খনিজ সম্পদ ব্যবস্থাপনার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতের সঙ্গে যুক্ত। এ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রীর বিদেশ সফরের সময় দাপ্তরিক কার্যক্রম কীভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়টি সফরসংক্রান্ত সরকারি সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।

থাইল্যান্ডে চিকিৎসা নিতে বাংলাদেশি রোগীদের যাতায়াত নতুন নয়। দেশটির বিভিন্ন হাসপাতাল উন্নত চিকিৎসাসেবা ও বিশেষায়িত চিকিৎসার জন্য আন্তর্জাতিক রোগীদের সেবা দিয়ে থাকে। তবে মন্ত্রীর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট হাসপাতাল বা চিকিৎসার ধরন সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো না হওয়ায় এ বিষয়ে কোনো অনুমান করা ঠিক হবে না।

এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে। গ্যাস সরবরাহ, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও জ্বালানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে সরকারকে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। এমন সময়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর বিদেশ সফরও রাজনৈতিক ও প্রশাসনিকভাবে নজর কাড়ছে। তবে তাঁর সফরের প্রধান উদ্দেশ্যের একটি যে চিকিৎসা, তা একাধিক সংবাদ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মন্ত্রীর স্বাস্থ্যসংক্রান্ত ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে গোপনীয়তার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। তাই চিকিৎসার ধরন বা শারীরিক অবস্থার বিষয়ে সরকারি বা সংশ্লিষ্ট সূত্রের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না পাওয়া পর্যন্ত অতিরিক্ত কোনো তথ্য প্রকাশ করা সমীচীন নয়।

১৩ সেপ্টেম্বর থাইল্যান্ড সফরের মাধ্যমে মন্ত্রীর চিকিৎসা কার্যক্রমের পাশাপাশি নির্ধারিত সরকারি কর্মসূচি থাকলে সেগুলোও সম্পন্ন করার কথা রয়েছে। সফর শেষে তাঁর দেশে ফেরার সময়সূচি ও চিকিৎসার বিষয়ে পরবর্তী তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জানা যেতে পারে।